আল-কোরআনুল কারীম :
মর্যাদা, শিক্ষা ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা : পর্ব-১
অনুবাদ : ইকবাল হুসাইন মাসুম
মানব অন্তর কালিমাযুক্ত হয়ে কঠিন হয়ে যায়। দুনিয়ার প্রাচুর্যের মোহ ও প্রবৃত্তির চাহিদা নফ্‌সকে দুর্বল ও অসাড় করে ফেলে। মানুষকে এ পৃথিবীতে নফস, প্রবৃত্তি, ও শয়তানের সাথে যুদ্ধ ও সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়। একজন যোদ্ধাকে যদি অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় প্রকার অস্ত্রের মুখাপেক্ষী হতে হয় তাহলে চিরন্তন সফলতা যে যুদ্ধে বিজয় লাভের উপর নির্ভরশীল এমন যুদ্ধের যোদ্ধাকে অবশ্যই সক্রিয় ও কার্যকর অস্ত্রে সজ্জিত হতে হবে।


পূত চরিত্র অলম্বনের উপায়-উপকারিতা
আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
মানুষের উত্তম আখলাকের অন্যতম পূত-চরিত্র বা নিষ্কলুষ স্বভাব। পূত চরিত্র অবলম্বন ছাড়া কেউ পূর্ণাঙ্গ মানুষ হতে পারে না। তাই দেখা যায় প্রতিটি মহা-মানবের মধ্যেই এ গুণ ছিল অবধারিতভাবে। 






ইসলাম পৃথিবীর সমধিক অগ্রসরমান ধর্ম, বিশেষ করে ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর
ইউসুফ ইস্টস
অনুবাদক : আবু শুআইব মুহাম্মদ সিদ্দীক
ইসলামের দিকে প্রতিটি মানুষের প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে আপনার প্রশ্নটি ভাল। আপনি আমাকে এমন একটি বিষয়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ কর দিলেন যা বহুদিন ধরে আমার আগ্রহকে লালন করে আসছে। 

ইসলাম, বিজ্ঞান ও জেন্ডার সমতা প্রসঙ্গ

লেখক : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
মহাবিশ্বের প্রতিটি বিষয় জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্ট, কথাটা কোন মিথ বা কল্পকাহিনি নয়। তা বরং  সদর্পে স্থান করে আছে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের লিস্টে। পৃথিবী বক্ষে সৃষ্ট প্রতিটি বিষিয়েরই রয়েছে একটি প্রতি-বিষয় ইংরেজিতে যাকে ঢ়ধরৎং এবং সরল বাংলায় জোড়া বলা যায়। 


 আল্লাহর শরীয়তের পরিবর্তে অন্য আইন মোতাবেক ফয়সালা করা
অনবাদ : মুহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

লেখক : সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান

আল্লাহ তাআলার প্রতি ঈমান রাখা ও তাঁর ইবাদত করার দাবী হল তাঁর হুকুম মেনে নেয়া, তাঁর শরীয়তের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং কথাবার্তা, মৌলিক নীতিমালা, ঝগড়াÑঝাটি ও জানÑমালসহ সকল অধিকারের ক্ষেত্রে মতানৈক্যের সৃষ্টি হলে আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নাতের দিকে প্রত্যাবর্তন করা। আল্লাহই প্রধান বিচারক এবং প্রত্যেক ফয়সালার সময় তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করা উচিত। অতএব সকল শাসনকর্তার দায়িত্ব কর্তব্য হল আল্লাহর অবতারিত নির্দেশ অনুযায়ী হুকুম পরিচালনা করা। আর প্রজা সাধারণের ও উচিত আল্লাহ স্বীয় গ্রন্থে যে হুকুম অবতীর্ণ করেছেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতে যা কিছু বর্ণিত আছে, সে অনুযায়ী ফয়সালা মেনে নেয়া। আল্লাহ তাআলা শাসকবর্গের ক্ষেত্রে বলেন:
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَى أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُمْ بَيْنَ النَّاسِ أَنْ تَحْكُمُوا بِالْعَدْلِ بَصِيرًا ﴿৫৮﴾ سورة النساء
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা যেন আমানতসমূহ প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দাও। আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে, তখন ন্যায়পরায়ণতার সাথে করবে।’
আর প্রজাদের ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا ﴿৫৯﴾ سورة النساء
‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর, আনুগত্য কর রাসূলের এবং তাদের যারা তোমাদের মধ্যে শাসন ক্ষমতার অধিকারী। তারপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি প্রত্যাবর্তন কর, যদি তোমরা আল্লাহ ও আখেরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। এটাই কল্যাণকর ও পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম। 
এরপর আল্লাহ বর্ণনা করেন যে, তাঁর অবতীর্ণ শরীয়তের পরিবর্তে অন্য আইনের প্রতি বিচার প্রার্থনা করার সাথে ঈমানের কখনো সখ্য স্থাপিত হয় না। তিনি বলেন:
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّهُمْ آَمَنُوا بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ يُرِيدُونَ أَنْ يَتَحَاكَمُوا إِلَى الطَّاغُوتِ وَقَدْ أُمِرُوا أَنْ يَكْفُرُوا بِهِ وَيُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَنْ يُضِلَّهُمْ ضَلَالًا بَعِيدًا ﴿৬০﴾
‘আপনি কি তাদেরকে দেখেননি যারা দাবী করে যে, আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং আপনার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তারা ঈমান এনেছে? তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, অথচ একে প্রত্যাখ্যান করার নির্দেশ তাদেরকে দেয়া হয়েছে। আর শয়তান তাদেরকে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট করতে চায়। 
এর একটু পরেই আল্লাহ বলেন:
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ﴿৬৫﴾ سورة النساء
‘কিন্তু না, আপনার রবের কসম! তারা মু’মিন হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের বিবাদÑ বিসম্বাদদের বিচার ভার আপনার উপর অর্পণ না করে। অতঃপর আপনার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে। এবং হৃষ্টচিত্তে তা মেনে নেয়।’
আল্লাহ তাআলা এখানে শপথের দ্বারা দৃঢ় ভাবে ঐ ব্যক্তি থেকে ঈমানের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন, যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে বিচার চায় না এবং তাঁর হুকুমের প্রতি সন্তুষ্ট থাকে না ও তা মেনেও নেয় না। অনুরূপভাবে তিনি সেই সব শাসকবর্গকেও কুফুরী, জুলুম ও ফাসেকী প্রভৃতিতে ভূষিত করেছেন যারা আল্লাহর শরিয়ত অনুযায়ী হুকুম পরিচালনা করে না। তিনি বলেন:
وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ ﴿৪৪﴾سورة النساء
‘আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী যারা হুকুম দেয় না, তারাই কাফির’
 وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿৪৫﴾سورة النساء
‘আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী যারা হুকুম দেয় না,  তারাই যালিম।’

পর্দা:  নারীর দুর্গ ও রক্ষাকারী ঢাল
চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ

পর্দা একটি ইবাদত, সালাত যেমন ইবাদত। এটি আল্লাহর নির্দেশ। বিষয়টি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী। আল্লাহ তাআলা কুরআনে মাজীদে এরশাদ করেন,

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاء الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا


ভ্রান্ত তাবিজ-কবচ
লেখক : মুহাম্মদ বিন সোলায়মান আল-মুফাদ্দা

অনুবাদ : মতিউল ইসলাম বিন আলী আহমাদ
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি বিশ্ব জগতের ঘটনা প্রবাহের জন্য সঙ্গত কারণ বা মাধ্যম নির্ধারণ করেছেন। আবার কখনো কখনো এ সমস্ত  কারণ ও মাধ্যমকে তিনি পরিহার করেছেন। যাতে করে
মানুষ এসব  কিছুকে তাদের রব বা প্রতিপালক মনে না করে। এবং তিনি এ সমস্ত কারণ ও ঘটনা প্রবাহকে এমন এক অমোঘ নিয়মে বেঁধে দিয়েছেন যার ফলে কোন কিছুই বৃথা যাবার নয় ।

    
নবীগৃহে ঈদ
খালেদ বিন আব্দুর রহমান আশ-শায়ে

অনুবাদ : চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ


(আল্লাহ তাআলা আমাদের ও তোমাদের রোজা, তারাবির নামাজ ও অন্যান্য সকল নেক আমল কবুল করুক। আর তোমরা সারাটি বছর সুখে থাক।)

মদীনার ইতিহাসে একটি আলোকোজ্জল দিন তথা ঈদের দিন সকাল বেলায় নবীঘর ও আশে পাশের সবকয়টি জায়গায় ঈদ উৎসবের আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছিল। আর এ সব কিছুই হচ্ছিল মানবতার মুক্তিদূত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চোখের সামনে। প্রত্যেকে ঈদ উৎসবে নিজ নিজ অনুভূতি ব্যক্ত করছিল। 


মানবকল্যাণে ইসলামি অর্থনীতি
আবু হেনা মোস্তফা কামাল

ইসলাম আল্লাহ মনোনীত একমাত্র ধর্মদর্শন। ইসলামে তাই রয়েছে ইহ-পরকাল উভয় জাহানের মুক্তি ও কল্যাণ। ইসলাম সে হিসেবে একটি জীবন ব্যবস্থাও বটে। এ ব্যবস্থা সামস্টিক, অখণ্ডিত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য ব্যবস্থার সমন্বয়ে নির্মিত হয়েছে ইসলামের সামগ্রিক ও সমন্বিত জীবনব্যবস্থা।  ইসলামী জীবনব্যবস্থার ব্যবস্থাপনাও সামষ্টিক এবং সমন্বিত। 

মানব জীবনে ভ্রষ্টতা
লেখক : সালেহ বিন ফাওযান আলÑফাওযান

অনুবাদ : মুহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

আল্লাহ তার ইবাদতের জন্য সমস্ত সৃষ্টি জগত সৃষ্টি করেছেন এবং ইবাদতের কাজে সহায়ক, তাদের জন্য এমন রিযকের সকল ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ﴿৫৬﴾ مَا أُرِيدُ مِنْهُمْ مِنْ رِزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَنْ يُطْعِمُونِ ﴿৫৭﴾ إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ ﴿৫৮﴾ سورة الذريات



প্রশংসনীয় গবেষণা
কামাল উদ্দিন মোল্লা
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:
আর স্মরণ কর দাউদ ও সুলায়মানের কথা, যখন তারা শস্যক্ষেত সম্পর্কে বিচার করছিল। যাতে রাতের বেলায় কোন কাওমের মেষ ঢুকে পড়েছিল। আর আমি তাদের বিচার কাজ দেখছিলাম।  

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ
লেখক : কাউসার বিন খালেদ
স্মরণ রেখ, শর্তহীনভাবে, নির্দিষ্ট দিন-মাস ও সময় ব্যতীত দলবদ্ধ না হয়ে কবর যিয়ারত করা পুরুষের জন্য সুন্নত। কারণ, এর মাধ্যমে তার অন্তরে মৃত্যুর স্মরণ সদা জাগ্রত থাকবে। মগ্ন হবে সে পরকাল চিন্তায়। পার্থিবের ব্যাপারে সৃষ্টি হবে নিরাসক্তি ও নৈরাশ্য। 

আকীদা কেমন হওয়া উচিৎ - আকীদা তাহাবী 

সংকলক : ইমাম আবু জাফর তাহাবী রহ.
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি জগৎসমূহের প্রতিপালক।
প্রখ্যাত হাদীছ বিশারদ, ফকীহ, আল্লামা আবু জাফর ওয়াররাক আততাহাবী র. মিসরে অবস্থান কালে বলেছিলেন:


বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্রষ্টাকে
ভুলে যাওয়া
লেখক: শাহ আব্দুল হান্নান

দার্শনিকভাবে দেখলে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আল্লাহকে ভুলে যাওয়া, স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া৷ যিনি আমাকে বানিয়েছেন তাঁকে ভুলে যাওয়া৷ আল্লাহ নিজেই বলেছেন: "ইয়া আইয়্যুহাল ইনসানু মা গার্রাকা বি রাব্বিকাল কারিম" অর্থাৎ, হে মানুষ কিসে তোমাকে তোমার মহিমান্বিত রব সম্পর্কে উদাসীন করল? (৮২:৬ )


আযান ও ইকামত


সায়িদ ইব্‌ন আলি ইব্‌ন ওহাফ আল-কাহতানি

এক: আযান ও ইকামতের অর্থ এবং উভয়ের হুকুম:
১. আযানের আভিধানিক অর্থ: কোন জিনিস সম্পর্কে ঘোষণা দেয়া, আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَأَذَٰنٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦٓ ٣﴾
“আর আল্লাহ ও তার রাসূলের পক্ষ থেকে আযান”। সূরা তাওবা: (৩) অর্থাৎ ঘোষণা। অন্যত্র তিনি বলেন:

আল কুরআনের ভাষা অলৌকিকতার অনন্য নিদর্শন
লেখক : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

আল কুরআন আরবী ভাষায়  হয়েছে। কেন আরবী ভাষায় নাযীল হয়েছে তা অবশ্য ভেবে দেখার বিষয়। আমরা জানি যে, যে ভাষা ( যে কোন ভাষার ক্ষেত্রেই এ সত্যটি স্বীকার্য)  কালে পরিবর্তনের নানা ধাপ পেরিয়ে পূর্বের অবকাঠামো অতিক্রম করে যায়, এবং একসময় প্রাচীনতা  হারিয়ে হাজির হয় সম্পূর্ণ নতুন রূপে। উর্দু ভাষার ব্যাপারটাই, উদাহরণ, ধরা যাক।

ক. সর্বোত্তম আদর্শিক নমুনা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন
প্রয়োগে না গিয়ে কেবল কথার গোলাপ ছড়ানোর দোষে যারা দুষ্ট তাদের বিষয়ে আল্লাহ পাক বলেছেন:
أَتَأْمُرُونَ النَّاسَ بِالْبِرِّ وَتَنْسَوْنَ أَنْفُسَكُمْ وَأَنْتُمْ تَتْلُونَ الْكِتَابَ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
“ তোমরা কি মানুষকে ভালো কাজের নির্দেশ দাও, আর নিজেদের ব্যাপারে হও স্মৃতিভ্রষ্ট ! 

হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ এর নান্দনিক আচরণ
 ফা য় সা ল  বি ন  আ লী আল বা’দানী
 তরজমা  : মুহাম্মদ শামছুল হক সিদ্দিক
 হজে প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রাসূলুল্লাহ-
আল্লাহর সাথে সম্পর্কের বিশালতা, আত্মীয়তার গভীরতা তাকওয়াধারীদের অমূল্য সম্পদ, ইবাদতকারীদের কাক্সিক্ষত মূলধন। 

তাওয়াফ ও সাঈ: বিস্তারিত আলোচনা
 মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

তাওয়াফের সংজ্ঞা
কোনো কিছুর চারদিকে প্রদক্ষিণ করাকে শাব্দিক অর্থে তাওয়াফ বলে। হজের ক্ষেত্রে কাবা শরীফের চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ বলে। পবিত্র কাবা ব্যতীত অন্য কোনো জায়গায় কোনো জিনিসকে কেন্দ্র করে তাওয়াফ করা হারাম।

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর মুনাজাত

লেখক : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান

আমাদের দেশে বলতে গেলে ভারতীয় উপমহাদেশে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর দুআ-মুনাজাতের প্রচলন দেখতে পাওয়া যায়। এ বিষয় এখন কিছু আলোচনা পেশ করছি।
পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাত শেষে দু‘আ কবুল হওয়ার কথা বহু সহীহ হাদীস থেকে প্রমাণিত।

হৃদয়সংলগ্ন

ত্রিশটি আমল
চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ


১- আল্লাহ তাআলার উপর ঈমান আনা
আল্লাহকে বিশ্বাস করা এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনার অর্থ শুধু আল্লাহ তাআলার অস্তিত্ব স্বীকার করা নয়; বরং অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাসের সঙ্গে সঙ্গে তিনি যে অনাদি, অনন্ত, চিরঞ্জীব তা স্বীকার করা। 

ঈদে যা বর্জন করা উচিত :
ঈদ হল মুসলমানদের শান-শওকত প্রদর্শন, তাদের আত্মার পরিশুদ্ধতা, তাদের ঐক্য সংহতি ও আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি আনুগত্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উৎসব। কিন্তু দুঃখজনক হল বহু মুসলিম এ দিনটাকে যথার্থ মূল্যায়ন করতে জানে না। 

সিয়াম ও রমজান : শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল-২
সিয়াম পালন যাদের উপর ফরজ

কার জন্য সিয়াম পালন ফরজ ?
প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন, মুকীম, সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য সিয়াম পালন ফরজ।
যে ব্যক্তি এ সকল শর্তাবলির অধিকারী তাকে অবশ্যই রমজান মাসে সিয়াম পালন করতে হবে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :—

 
সিয়াম ও রমজান : শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল-১
 আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
 بسم الله الرحمن الرحيم

 রমজান মাসের ফযীলত


রমজান মাসের আগমনে মুসলিমগণ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। আনন্দ প্রকাশ করাই স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :—
বল, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়ায়। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক। তারা যা সঞ্চয় করে এটা তার চেয়ে উত্তম।

রোজার আদব (২)
(১০) ইফতারি করতে বিলম্ব না করা :

সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রাতের আগমন ঘটে ও ইফতার করার সময় হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন:—
ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ (البقرة : ১৮৭)
‘অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পালন করবে।’ সূরা বাকারা : ১৮৭
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
إذا أقبل الليل هاهنا وأدبر النهار هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم. رواه البخاري ومسلم
‘যখন এখান থেকে রাত্রির আগমন ঘটে ও ওখান থেকে দিন চলে যায় এবং সূর্য অস্ত যায় তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।’ বর্ণনায় : বোখারি ও মুসলিম


রোজার আদব (১)

সংকলন : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
সম্পাদনা : কাউসার বিন খালেদ

রোজার আদব (১)
আদব হল মানুষের জীবনের সৌন্দর্য। ইবাদত-বন্দেগির আদবসমূহ ইবাদতকে উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ করে দেয়। তাই প্রত্যেকটি ইবাদতের রয়েছে কিছু আদব-কায়দা বা শিষ্টাচার। 


আসসালামু আলাইকুম ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি সবাইকে।
আলহামদুলিল্লাহ আগামী মাসে ইনশাআল্লাহ সহিহ বুখারী, মুসলিম ও রিয়াযুস স্ব-লিহীনের ডিজিটাল কপি তিনটি ভাষায় (আরবী ,বাংলা ও ইংলিশ) আপনাদের খেদমতে উপস্থিত করতে পারবো বলে আশা করি।