কতিপয় হাদিসে উল্লেখিত তাহরীশের কিছু উদাহরণ -
সোলাইমান বিন সারদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলের সা. সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম, ইতিমধ্যে দু’জন লোক পরস্পরকে গালমন্দ করছে। তাদের একজনের চেহারার রক্তিম হয়ে গেল এবং তার শিরা সমূহ ফুলে গেল।
লেখক : নুমান বিন আবুল বাশারসময় ক্ষেপণ ও মিথ্যা আশ্বাস প্রদান-
শয়তান মানুষকে এমনভাবে আশ্বস্ত করে যে, তার জীবন অনেক দীর্ঘ এবং তার কাছে সৎকর্ম ও তওবা করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই সে যখন নামাজ পড়ার ইচ্ছা পোষণ করে শয়তান তাকে বলে, তুমি তো এখনও সেই ছোট রয়ে গেছ, যখন বড় হবে নামাজ পড়বে।
লেখক : নুমান বিন আবুল বাশারশয়তানের প্রবেশপথ
আল্লাহ তাআলা যখন তার নবী আদম আ.-কে সৃষ্টি করেছেন, তিনি আদমকে সেজদা করতে ফেরেশতাদের হুকুম করেন। অত:পর সব ফেরেশতা সেজদায় অবনমিত হল একমাত্র ইবলিস ছাড়া, সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত।
আধুনিক বিশ্বে মানুষের সবচেয়ে বড় গুরুত্বের বিষয় কোনটি ? কোন বৈঠকে এ-প্রশ্ন করা হলে একেক জন একেক উত্তর দিবেন; কেউ বলবেন, ব্যাপকবিধ্বংসী অস্ত্রের উৎপাদন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মজুদ কীভাবে ঠেকানো যায় এটাই আধুনিক বিশ্বের সমধিক গুরুত্বের বিষয়।
গুনাহের কিছু কারণ ও ভূমিকা রয়েছে যা গুনাহের প্রতি টেনে নিয়ে যায়।এবং তার কিছু প্রবেশ পথ রয়েছে যা সেখানে প্রবিষ্ট করে দেয়। গুনাহ থেকে বিরত ও বেঁচে থাকার জন্য এই সব বিষয়ের জানা নিতান্ত অপরিহার্য।
প্রথম যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে--
হাদীসে এসেছে- ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী করীম সা বলেছেন: কেয়ামতের দিন বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মানুষদের কিভাবে হাজির করা হবে তার একটি চিত্র আমাকে দেখানো হয়েছে। আমি দেখলাম একজন নবী আসলেন তার সাথে দশ জনের কম সংখ্যক অনুসারী।
সর্বশেষ যে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে--
পুলসিরাত সম্পর্কিত একটি দীর্ঘ হাদীসের শেষাংশে এসেছে এক ব্যক্তি জাহান্নামের দিকে মুখ করা অবস্থায় থাকবে। তখন সে বলবে, হে আমার প্রভূ! জাহান্নামের গরম বায়ু আমাকে শেষ করে দিল।
কেয়ামতের দিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাউজে কাউসার--
কেয়ামতের দিন মুসলিমগণ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাউজে
কাউসারে পানি পানের জন্য সমবেত হবে।
যারা সে দিন আল্লাহ তাআলার ছায়াতে আশ্রয় পাবে--আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন বলবেন, যারা পরস্পরকে ভালোবেসেছে আমারই জন্য তারা আজ কোথায়? আজ আমি তাদেরকে আমার ছায়ায় ছায়া দান করবো।
শিঙ্গায় ফুঁৎকার প্রসঙ্গে
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ প্রসঙ্গে বলেন:আর শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। ফলে আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করেন তারা ছাড়া আসমানসমূহে যারা আছে এবং পৃথিবীতে যারা আছে সকলেই বেহুঁশ হয়ে পড়বে। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তারা দাঁড়িয়ে তাকাতে থাকবে।
দ্বিতীয় অধ্যায়:কেয়ামত সংঘটন---
যখন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্ধারিত সময় চলে আসবে তখন কেয়ামত সংঘটিত হবে। তিনি কেয়ামত সংঘটনের দায়িত্বশীল ফেরেশতাকে শিংগায় ফুৎকার দিতে নির্দেশ দিবেন।
কেয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর কি হবে?----১বরযখের শাস্তি ও সুখ--
হে আল্লাহর বান্দা! মৃত্যুর পর থেকে নিয়ে কেয়ামত পর্যন্ত সময়টাকে বলা হয় বরযখ।
আর আপনি অবশ্যই জানেন যে, আখেরাতের প্রথম মনযিল হল কবর। মৃত্যু বরণ করার পরপরই মৃত ব্যক্তির উপর ছোট কিয়ামত কায়েম হয়ে যায়।