ঈদে যা বর্জন করা উচিত :
ঈদ হল মুসলমানদের শান-শওকত প্রদর্শন, তাদের আত্মার পরিশুদ্ধতা, তাদের ঐক্য সংহতি ও আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি আনুগত্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উৎসব। কিন্তু দুঃখজনক হল বহু মুসলিম এ দিনটাকে যথার্থ মূল্যায়ন করতে জানে না। 

সিয়াম ও রমজান : শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল-২
সিয়াম পালন যাদের উপর ফরজ

কার জন্য সিয়াম পালন ফরজ ?
প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন, মুকীম, সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য সিয়াম পালন ফরজ।
যে ব্যক্তি এ সকল শর্তাবলির অধিকারী তাকে অবশ্যই রমজান মাসে সিয়াম পালন করতে হবে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :—

 
সিয়াম ও রমজান : শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল-১
 আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
 بسم الله الرحمن الرحيم

 রমজান মাসের ফযীলত


রমজান মাসের আগমনে মুসলিমগণ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। আনন্দ প্রকাশ করাই স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :—
বল, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়ায়। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক। তারা যা সঞ্চয় করে এটা তার চেয়ে উত্তম।

রোজার আদব (২)
(১০) ইফতারি করতে বিলম্ব না করা :

সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রাতের আগমন ঘটে ও ইফতার করার সময় হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন:—
ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ (البقرة : ১৮৭)
‘অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পালন করবে।’ সূরা বাকারা : ১৮৭
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
إذا أقبل الليل هاهنا وأدبر النهار هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم. رواه البخاري ومسلم
‘যখন এখান থেকে রাত্রির আগমন ঘটে ও ওখান থেকে দিন চলে যায় এবং সূর্য অস্ত যায় তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।’ বর্ণনায় : বোখারি ও মুসলিম


রোজার আদব (১)

সংকলন : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
সম্পাদনা : কাউসার বিন খালেদ

রোজার আদব (১)
আদব হল মানুষের জীবনের সৌন্দর্য। ইবাদত-বন্দেগির আদবসমূহ ইবাদতকে উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ করে দেয়। তাই প্রত্যেকটি ইবাদতের রয়েছে কিছু আদব-কায়দা বা শিষ্টাচার। 

রোযাদারের কতিপয় ভুল-ত্র“টি
লেখক : আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন

অনুবাদ :আব্দুন নূর বিন আব্দুল জাব্বার

সমস্ত  প্রশংসা সারা বিশ্বের মালিক ও পালনকর্তার জন্য এবং দরূদ ও ছালাম বর্ষিত হোক সর্বশ্রেষ্ঠ নাবী ও রাসূল মুহাম্মাদ , তাঁর আল ও আওলাদ এবং সাহাবীগণের প্রতি।
১। ফরজ রোযার জন্য রাত বা ফজরের পূর্বে নিয়্যত না করা, যদিও পূর্ণ রমজান মাসের জন্য প্রথমে একবার নিয়্যত করাই যথেষ্ট।

রোজা
মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

রোযা একটি  গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহর ইচ্ছার সামনে নিজের বৈধ ইচ্ছা-চাহিদাগুলোকে জলাঞ্জলি দিয়ে পরকালমুখী নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের দীক্ষা নিয়ে একজন ব্যক্তি যাতে তাকওয়া অর্জনে সক্ষম হতে পারে সে উদ্দেশেই ফরয করা হয়েছে মাহে রমযানে সিয়াম পালনের বিধান।

রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ

এক.
রমযান কাছে এলে আমরা অনেকে নিম্নের দোয়াটি পড়ি, তবে এমন লোক খুব কম আছি যারা এর শুদ্ধতা ও অশুদ্ধতা সম্পর্কে অবগত:
"اللهم بارك لنا في رجب وشعبان وبلغنا رمضان"
“হে আল্লাহ, আপনি রজব ও শাবান মাসে আমাদের জন্য বরকত রাখুন এবং আমাদেরকে রমযান পর্যন্ত পৌঁছার তাওফিক দিন”।

সিয়ামের হিকমত, লক্ষ্য ও উপকারিতা
 
আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
  ইসলাম অর্থ আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর নির্দেশের কাছে নিজেকে সন্তুষ্ট চিত্ত সঁপে দেয়া। তার প্রতি ঈমান রাখা, তার কাছে প্রতিদানের আশা করা এবং বিশ্বাস করা যে আল¬াহর বিধান অনুযায়ী জীবন যাপনের মধ্যে রয়েছে কল্যাণ ও সফলতা। এটাও বিশ্বাস করতে হবে যে আল্লাহ তাআলা হলেন হাকিম বা মহাজ্ঞানী।

রমজানের পর ভাল কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার দশটি মাধ্যম

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান

রমজানের পর কি? রমজান মাসে আল্লাহর নিকট বেশি প্রার্থনা করেছি, অধিক পরিমাণে নফল আদায় করেছি। ইবাদতে স্বাদ অনুভব করেছি। অধিক পরিমাণে কোরআন তেলাওয়াত করেছি। জামাতের নামাজ ত্যাগ করিনি।

রমজানে যা করনীয়
 
আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
আমরা যখন এ মাসের গুরুত্ব অনুভব করলাম তখন আমাদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়াল কীভাবে এ মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানো যায় সে প্রচেষ্টা চালানো। এ মাসে হেদায়াতের আলোকবর্তিকা আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়।

রমজান মাসের ফজিলত
 
আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
 রমজান মাসের আগমনে মুসলিমগণ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। আনন্দ প্রকাশ করাই স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন :— قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ (يونس: ৫৮) বল, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়ায়। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক। তারা যা সঞ্চয় করে এটা তার চেয়ে উত্তম।

নফল সিয়াম
 
আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান 
 রমজানের রোজা ফরজ রোজা। রমজান ব্যতীত অন্য আরো রোজা আছে যেগুলো সুন্নত। তবে রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান ব্যতীত অন্য সময় মাস ব্যাপী রোজা পালন করেননি। হাদিসে এসেছে— আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে নফল রোজা পালন করতেন যে আমরা ধরে নিতাম তিনি আর বিরতি দেবেন না।