ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি
শাইখ সালেহ ইবন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম শ্রেষ্ঠ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এবং শান্তি বর্ষিত হউক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের প্রতি ।
অতঃপর:
আমার নিকট পাশ্চাত্য রাষ্ট্রসমূহের একটি ইসলামিক সেন্টার থেকে কতগুলো প্রশ্ন এসে পৌঁছলো, যেগুলোর পেছনে উস্কানি দিয়েছে “আল-আবা আল-বীদ” তথা ‘হোয়াইট ফাদার্স’ নামক কট্টরপন্থী খ্রিষ্টান মিশনারি সংগঠন; আর যখন আমি এগুলোর ব্যাপারে জানতে পারলাম, তখন আমি সেগুলোর জওয়াব না দিয়ে পারলাম না।
মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুস্তিকা। এতে বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী রহ. একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রসিদ্ধ প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নের সার-সংক্ষেপ হল, মুসলিম জাতির পুনর্জাগরণের উপায় কী? কী পন্থা অবলম্বন করলে মুসলিম জাতি তাদের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে, আল্লাহ তাআলা জমিনে তাদের ক্ষমতা দেবেন এবং অন্যান্য উম্মতদের মাঝে যথাযথ মর্যাদায় উন্নীত হতে পারবে? শাইখ রহ. এ প্রশ্নের বিস্তারিত ও স্পষ্ট উত্তর তুলে ধরেন। মানুষের উপকারের দিকে লক্ষ্য করে আমরা এ রিসালাটি প্রচারের ব্যবস্থা করেছি।
কুরআন ও সুন্নাহ্র আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম
আব্দুর রহমান বিন সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী রহ.
ভূমিকা
الحمد لله وحده، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، نبينا محمد وعلى آله وأصحابه أجمعين، أما بعد:
জান্নাত ও জাহান্নাম সম্পর্কে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সংক্ষিপ্ত গবেষণা। এ গবেষণাটি একাধিক কিতাব ও বিভিন্ন তথ্যসূত্র থেকে এখানে একত্র করা হয়েছে এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে। জান্নাত ও জাহান্নাম কাকে বলে, প্রতিটির সংজ্ঞা, গুণাগুণ এবং কিভাবে জান্নাতে প্রবেশ করা যাবে এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচা যাবে? তার উপায় ও উপকরণগুলো এখানে আলোচনায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে।
ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান
শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
(সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম আমাদের নবী সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর, যিনি বলেছেন: “জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আমাকে আল-কুরআন দেয়া হয়েছে এবং তার সাথে তারই সদৃশ বিষয় তথা সুন্নাহ দেয়া হয়েছে।” )।
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী
শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
بسم الله الرحمن الرحيم
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণতার গুণাবলী দ্বারা অনুগ্রহ করেছেন এবং তাদের একের উপর অন্যের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন; যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করা যায় সেসব বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে, যা থেকে তাদেরকে দেয়া হয়েছে; আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই, তিনি একক,
হাদিসের প্রামাণিকতা
সানাউল্লাহ নজির আহমদ
সম্পাদনা : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
ইসলামী শরীয়তে হাদিসের গুরুত্ব অপরিসীম। কুরআনুল কারীমের পর ইসলামের দ্বিতীয় উৎস হাদিস। এতে বর্ণিত আমল, আদেশ, নিষেধ অবশ্য পালনীয়, যদিও কুরআনে তার উল্লেখ নেই। তাই কুরআনের ন্যায় হাদিসও পরিপূর্ণ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দলিল। দ্বিতীয়ত কুরআন কতক মৌলিক ও সাধারণ নীতিমালার সমষ্টি, হাদিস তার সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা প্রদান করেছে।
প্রকৃতি ও শরীয়ত স্বীকৃত অধিকার
মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
প্রকৃতি ও শরীয়ত স্বীকৃত অধিকার: আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়াতের সৌন্দর্য ও সুষমা ঠিক তখনই প্রতিভাত হতে পারে যখন অত্যন্ত ইনসাফপূর্ণভাবে তার প্রতি যত্নবান হওয়া যায়। অর্থাৎ সে ব্যাপারে কোনো প্রকার হ্রাস-বৃদ্ধি তথা সংকীর্ণতা ও অতিরঞ্জন না করে প্রত্যেককেই তার প্রাপ্য অধিকার দেওয়া হয়। আল্লাহ তা‘আলা এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা সমাজে আদল ও ইনসাফ কায়েম করবে, লোকদের প্রতি ইহসান করবে এবং আত্মীয়-এর অধিকার সংরক্ষন করবে।
নামায বর্জনকারীর বিধান
মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
গ্রন্থকার এখানে নামায বর্জনকারীর বিধান বর্ণনা করেছেন। তিনি দলীল-প্রমাণ দিয়ে সাব্যস্ত করেছেন যে, সালাত বর্জনকারী এমন কাফের, যে কুফরির কারণে দ্বীনের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যায়। তারপর তিনি সালাত বর্জনকারীর কাফের হওয়ার কারণে দুনিয়াতে তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান বর্ণনা করেছেন। আর আখেরাতে তার পরিণতি কেমন হবে সেটাও বিবৃত করেছেন।
রিয়াদুস সালেহীন (২য় খণ্ড)- ২
256- بَابُ بَيَانِ مَا يُبَاحُ مِنَ الْغِيْبَةِ
পরিচ্ছেদ - ২৫৬ : যে সব কারণে গীবত বৈধ
জেনে রাখুন যে, সঠিক শরয়ী উদ্দেশ্যে গীবত বৈধ; যখন গীবত ছাড়া সে উদ্দেশ্য পূরণ হওয়া সম্ভবপর হয় না। এমন কারণ ৬টিঃ-
১। অত্যাচার ও নির্যাতন: নির্যাতিত ও অত্যাচারিত ব্যক্তির পক্ষে বৈধ যে, সে শাসক, বিচারক প্রমুখ [প্রভাবশালী] ব্যক্তি যারা অত্যাচারীকে উচিত সাজা দিয়ে ন্যায় বিচার করার কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা রাখেন তাঁদের নিকট নালিশ করবে যে, ‘অমুক ব্যক্তি আমার উপর এই অত্যাচার করেছে।’
ইমাম মুহিউদ্দীন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবন শরফ আন-নাওয়াবী রহ.
كِتَابُ اْلفَضَائِلِ
অধ্যায় (৮): বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে
180- بَابُ فَضْلِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
পরিচ্ছেদ - ১৮০: পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত
1/998 عَنْ أَبي أُمَامَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «اقْرَؤُوا القُرْآنَ ؛ فَإِنَّهُ يَأتِي يَوْمَ القِيَامَةِ شَفِيعاً لأَصْحَابِهِ». رواه مسلم
১/৯৯৮। আবূ উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা, কিয়ামতের দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশ-কারী হিসাবে আগমন করবে।” (মুসলিম)
রিয়াদুস সালেহীন (১ম খণ্ড)
ইমাম মুহিউদ্দীন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবন শরফ আন-নাওয়াবী রহ.
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
গ্রন্থকারের ভূমিকা
যাবতীয় প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি একক, প্রতাপশালী, পরাক্রমশালী, মহা ক্ষমাশীল। যিনি রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিন দ্বারা, যা হৃদয়বান জ্ঞানবান ব্যক্তিদের জন্য উপদেশস্বরূপ, বিচক্ষণ ও উপদেশগ্রহণকারীদের জর্য জ্ঞানালোক স্বরূপ।
তোমার রব কে?
তোমার রব কে?
মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আম্মারী
প্রতিটি মানুষের কর্তব্য তার রবের পরিচয় জানা। যে কেউ মারা গেলে তাকে কবরে শোয়ানোর পর তার দেহে প্রাণ ফিরিয়ে দেয়া হবে। তারপর তার কাছে দুজন ফেরেশতা এসবেন। তাঁরা তাকে বসিয়ে জিজ্ঞেস করবেন তার রব কে? এ দীর্ঘ প্রবন্ধে রবের পরিচয় বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
আল্লাহ তা‘আলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র:
আল্লাহ তা‘আলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র:
কিছু আদর্শিক নীতিমালা
শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
প্রকাশকবৃন্দের ভূমিকা
সকল প্রশংসা পরম করুণাময় আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি, ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তাওবা করি। আমাদের নিজ নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলের অযাচিত দিকগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।
আল্লামা শায়খ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
ও
শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
জামা‘আতে সালাত আদায় করার অপরিহার্যতা
শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায
মুসলিম পাঠকবৃন্দের প্রতি আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বাযের একটি বিশেষ আহবান। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সন্তুষ্টির কাজে তাদের তাওফীক দান করুন এবং আমাকেও তাদের সেই সমস্ত লোকের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা তাঁকে ভয় করে তার নির্দেশ মেনে চলে। আমীন!
সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
এ বইতে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর মর্যাদা ও গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। মুসলিম ব্যক্তির কেন সুন্নাহ মেনে চলা উচিত, কি কি বিষয় এক্ষেত্রে অন্তরায় হিসাবে কাজ করছে এবং সেগুলো কিভাবে প্রতিহত করে সুন্নাহের পথে চলা যায় সেটিও এখানে বর্ণিত হয়েছে।
জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন
মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব
গ্রন্থটি শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব রহ. এর কালজয়ী গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ। যেখানে তিনি জাহেলী যুগের আরব ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা কি কি খারাপ রীতি-নীতিতে বিশ্বাসী ছিল তা তুলে ধরেছেন। তিনি কুরআন ও সুন্নাহ থেকে জাহেলী যুগের মানুষের এমনসব কর্মকাণ্ড বের করতে সমর্থ হয়েছেন যা সাধারণত মানুষের মধ্যে এখনও সংঘটিত হচ্ছে।
আল-কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা
মূল-শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ আলে শাইখ
আল-কুরআন ও এর সুমহান মর্যাদা
সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি তাঁর বান্দার উপর কিতাব নাযিল করেছেন এবং তাতে কোনো বক্রতা রাখেন নি। সরলরূপে; যাতে সে তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন আযাব সম্পর্কে সতর্ক করে এবং সুসংবাদ দেয় সেসব মুমিনকে, যারা সৎকর্ম করে। নিশ্চয় তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান, তারা তাতে অনন্তকাল অবস্থান করবে। আর যেন সতর্ক করে তাদেরকে যারা বলে, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন।
কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা
সা‘ঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
এ বইতে জান্নাত ও জাহান্নামের তুলনামূলক আলোচনা করা হয়েছে। জান্নাতের অফুরন্ত নিয়ামত কেউ লাভ করলে সে মহাসফল্য অর্জন করল, আর জাহান্নামের আযাব কাউকে দেয়া হলে সে বড়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে পঁচিশটি পরিচ্ছেদে জান্নাতের ও জাহান্নামের যাবতীয় বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ
জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
এ বইটিতে দরূদ শরীফ সম্পর্কে কুরআন ও সূন্নাহের সঠিক ও বিশুদ্ধ দিক নির্দেশনা কি তা তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়াও বইটিতে দরূদ পড়ার ফযিলত, গুরুত্ব, দরূদ পাঠের নিয়ম ও দরূদের শব্দসমূহ কি তা কুরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করা হয়েছে।
চারটি মূলনীতির মূল পাঠ
মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব
এটি একটি সংক্ষিপ্ত পত্র বিশেষ, যা শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব রহ. লিখেছিলেন। এখানে তাওহীদ ও শির্কের গুরুত্বপূর্ণ চারটি নীতিমালা স্থান পেয়েছে। আর মুশরিকদের দ্বারা দাবী করা শাফা‘আত ও তাওহীদপন্থীদের সাব্যস্ত করা শাফা‘আতের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।
আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল
মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
এ ছোট্ট পুস্তিকায় লিখক আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীদের পাথেয় ও সম্বল তুলে ধরেছেন। এক্ষেত্রে তিনি সীরাতের চমৎকার জলজ্যান্ত উদাহরণ সহযোগে জ্ঞান, ধৈর্য, প্রজ্ঞা, চরিত্র ও উদারতা সংক্রান্ত বৈশিষ্টগুলো তুলে ধরেছেন, যা সফল দা’য়ী ইলাল্লাহ হওয়ার জন্য একান্ত প্রয়োজন।
ড. ইবরাহীম ইবন সালেহ আল-খুদ্বায়রী
মাননীয় বিচারপতি, উচ্চতর আদালত, রিয়াদ
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
ভুমিকা
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য। শ্রেষ্ঠ রাসূল আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সমস্ত সাহাবীদের উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক…অতঃপর,
বৈধ ও অবৈধ অসীলা
আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী
1.ভূমিকা
2.রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রেরণের সময় আরবরা ধর্মীয় দিক থেকে এবং তাদের ওপর তাঁর পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ
3.শাফা‘আত সত্য
4.জাহেলী যুগের ঐ সব মুর্খ ব্যক্তি এবং বর্তমান যুগে যারা মৃত ওলী, সৎকর্মশীল অথবা অনুপস্থিত লোকদের কাছে প্রার্থনা করে তাদের মধ্যে পাথর্ক্য কি?




.jpg)



.jpg)
.jpg)
.jpg)



















